Header Ads Widget

বিশ্বনাথে ভণ্ড পীরাকির আড়ালে লম্পট ময়না শাহর যৌন সাম্রাজ্য: ৮ বিয়ের পরেও শ্যালিকাসহ অসংখ্য নারী লাঞ্ছিত!



আক্তার হোসেন, সিলেট:- সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সাহেবনগর এলাকায় আধ্যাত্মিক চিকিৎসার লেবাসে এক ভয়াবহ ‘যৌন দানব’ ও ভণ্ড কবিরাজের সন্ধান পাওয়া গেছে। কথিত এই কবিরাজ ময়না শাহর লালসার শিকার হয়ে নিঃস্ব হয়েছেন এলাকার অসংখ্য নারী ও কিশোরী। লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন অনেকে মুখ না খুললেও, এবার নিজের আপন শ্যালিকাকে অপহরণ ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী।

পুকুরপাড়ের অন্ধকার ঘরে ‘পাপের আসন’: অনুসন্ধানে জানা গেছে, ময়না শাহ তার বাড়ির পুকুরপাড়ে নির্জন একটি ঘরে মোমবাতি জ্বালিয়ে কথিত ‘আসন’ পেতে বসে। কবিরাজির নাম করে অসহায় নারীদের সেই ঘরে একা নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে চলে পাশবিক নির্যাতন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সে তাবিজে বশ করার ভয় দেখিয়ে এবং সামাজিক মর্যাদার দোহাই দিয়ে নারীদের মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করে। মূলত চিকিৎসার নামে এটি একটি সুসংগঠিত ‘যৌন ফাঁদ’।

৮ বিয়ে করেও মেটেনি লালসা: এই লম্পট কবিরাজ এ পর্যন্ত অন্তত ৮টি বিয়ে করেছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে তার বাড়িতে ৪ জন স্ত্রী থাকলেও বাকি ৪ জনকে সে অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রেখেছে। এমনকি নিজের আপন শ্যালিকা মমতা বেগমকেও (শান্তিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা) কু-নজরে ফেলে সে। শ্যালিকার অন্যত্র বিয়ে ঠিক হলে সে তাবিজে বশ করে তাকে নিজের কবজায় নিয়ে নেয় এবং বর্তমানে তাকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে অবৈধ সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন: পুকুরপাড়ের সেই অন্ধকার ঘরে শ্যালিকার সাথে আপত্তিকর অবস্থায় সে একবার ধরা পড়লেও, স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে এই অপরাধী। বর্তমানে এলাকার যুবতী ও সাধারণ নারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রশ্ন উঠেছে, এই ভণ্ড ময়না শাহর খুঁটির জোর কোথায়? কার ছত্রছায়ায় সে দিনের পর দিন এই ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে?

সচেতন মহলের দাবি: এলাকাবাসীর দাবি, আধ্যাত্মিক চিকিৎসার নামে ময়না শাহ যে সামাজিক ক্যান্সার ছড়িয়ে দিচ্ছে, তার দ্রুত অবসান হওয়া প্রয়োজন। নিখোঁজ শ্যালিকাকে উদ্ধার এবং এই ভণ্ড লম্পটকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ