আক্তার হোসেন:- সিলেট সদর উপজেলার ৭ নং মোগলগাঁও ইউনিয়নে শোকের ছায়া। এলাকার অত্যন্ত পরিচিত মুখ, ২ নং ওয়ার্ডের লামা আকিলপুর (পীরেরগাঁও ক্বারী বাড়ি) গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বি হাফিজ আশিকুর রহমান (হাফিজ সাহেব) আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
গত
১৩
এপ্রিল
২০২৬,
সোমবার
সন্ধ্যা ৬টার
দিকে
সিলেট
জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি
শেষ
নিঃশ্বাস ত্যাগ
করেন।
মৃত্যুকালে তার
বয়স
হয়েছিল প্রায় ৫০
বছর।
পারিবারিক সূত্রে
জানা
যায়,
গত
১২
এপ্রিল
রোববার
সন্ধ্যায় তিনি
হঠাৎ
ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন।
তাৎক্ষণিকভাবে তাকে
রাগীব-রাবেয়া হাসপাতালে ভর্তি
করা
হয়েছিল। চিকিৎসকদের আপ্রাণ
চেষ্টার পরও
পরদিন
সন্ধ্যায় না
ফেরার
দেশে
চলে
যান
এই
গুণী
মানুষটি।
হাফিজ
আশিকুর
রহমান
কেবল
একজন
ব্যক্তি ছিলেন
না,
তিনি
ছিলেন
মোগলগাঁও এলাকার
সামাজিক সম্প্রীতির এক
অনন্য
কারিগর। তার
চলে
যাওয়ায়
এলাকায়
যে
শূন্যতা তৈরি
হয়েছে,
তা
সহজে
পূরণ
হওয়ার
নয়।
গ্রাম্য শালিস-বিচারে তার ছিল
এক
অনন্য
সুনাম।
কঠিন
থেকে
কঠিনতম
বিরোধের মীমাংসা তিনি
করতেন
অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে। তার
বিচারে
কোনো
পক্ষই
কখনো
ক্ষুব্ধ হতো
না;
বরং
তার
নিরপেক্ষতা এবং
প্রজ্ঞার কারণে
তাকে
এলাকার
'ন্যায়বিচারের বাতিঘর' বলা হতো।
পবিত্র
কুরআনের হাফেজ
হিসেবে
এলাকায়
তার
বিশেষ
মর্যদা
ছিল।
তিনি
ছিলেন
পাঁচ
ওয়াক্ত
নামাজি
ও
অত্যন্ত আল্লাহভীরু একজন
মানুষ।
তার
মুখে
সব
সময়
লেগে
থাকত
স্নিগ্ধ এক
হাসি।
এলাকার
ছোট-বড় সবার কাছে
তিনি
ছিলেন
পরম
শ্রদ্ধেয় ‘হাফিজ
সাহেব’। তার মৃত্যুতে লামা
আকিলপুরসহ পুরো
ইউনিয়নে শোকের
আবহ
বিরাজ
করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনেকে
তাকে
নিয়ে
স্মৃতিচারণ করছেন।
"তিনি ছিলেন
এমন
একজন
মানুষ,
যার
কাছে
গেলে
অশান্ত
মন
শান্ত
হয়ে
যেত।
তার
বিচারে
কখনো
কোনো
অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া
হতো
না।"
— জানান স্থানীয় এক
গ্রামবাসী।
মরহুমের জানাজার নামাজ
আজ
১৪ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা
শেষে
তাকে
পারিবারিক কবরস্থানে দাফন
করা
হবে।
পরিবারের পক্ষ
থেকে
মরহুমের বিদেহী
আত্মার
মাগফেরাত কামনায়
দেশবাসী ও
এলাকাবাসীর কাছে
দোয়া
চাওয়া
হয়েছে।
শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি
গভীর
সমবেদনা জানাচ্ছে এলাকাবাসী।

0 মন্তব্যসমূহ