মোঃ আক্তার হোসেন::
শাহজালাল আর শাহপরাণের পূণ্যভুমি খ্যাত সিলেটের আবাসিক হোটেলগুলো যেন হরেক রকম অপরাধের স্বর্গরাজ্য। একেকটি হোটেল যেনো পতিতাবৃত্তির মতো অসামাজিক কার্যকলাপ আর মাদকের নিরাপদ হাট।
রাস্তার মোড়ে মোড়ে নিয়োগ করা হয়েছে নিজস্ব দালাল, যারা রাস্তা পথচারীদের মাঝ থেকে খদ্দের সংগ্রহ করে নিজ নিজ হোটেলে নিয়ে যায় দালালরা। নিয়মিত কয়েকটি হোটেলে সংবাদ কর্মীর গোপন সংবাদের বিত্তিতে পুলিশী অভিযান পরিচালিত হলেও বেশীর ভাগ হোটেলে পুলিশের নজর একবারেই পড়েনা। কারণ এসব হোটেলের দিকে নাকি নেক নজর রাখারও নির্দেশ আসে উপর মহল থেকে।
বিশেষ করে নগরীর তালতলা এলাকায় কয়েকটি বেশ কয়েকটি হোটেলের দিকে পুলিশের বিশেষ নজর রাখার খবর পাওয়া গেছে। নগরীর ব্যস্থতম ভিআইপি রোড তালতলাস্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপরীত পাশে সহ বেশ কয়েক টি চিহিৃত৷
এমন কিছু হোটেলে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নানা বয়সের উঠতি যুবতী নারী ও যুবকের অসামাজিক মিলনমেলা বসে। সকাল থেকে শুরু হয় ভাসমান পতিতাদের উঠানামার খেল। প্রকাশ্যই দেহ ব্যবসা হলে মালিক জেনেও না জানার ভ্যান করে রয়েছে,
হোটেল গুলোতেই বসে বড় বড় মাদক চালানের ডিল করাহয়৷
প্রতিবেশী একাধিক ব্যবসায়ী বিষয়টি হোটেল মালিকের নজরে দিয়েছেন বলে জানান। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সকাল থেকে রাতবদী এসব হোটেলে চলে অসামাজিক সকল কার্যকলাপ।
এ বিষয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েক জোড়া নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করে মানব পাচার আইনে মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করে। কিন্তু বন্ধ হয়নি এখনো এমন কিছু হোটেল এর অসামাজিক কার্যকলাপ। অনেকে এসব হোটেল কে সিলেট নগরীর নিরাপদ মিনি পতিতালয় হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন।
অনেকে আবার মজা করে বলেন, কোর্টের সামনে বে-আইন কান্ড কে দেখবে কে ?
শুধু নারী ব্যবসা নয়, হাত বাড়ালেই মিলছে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য। খদ্দরদের মনোরঞ্জনের জন্য চলে নারীদের উপর নির্যাতন-নিপীড়নও।
অপরদিকে রাজনৈতিক লেবাসধারী কিছু ক্যাডার ও পাতি-নেতার বিশেষ ছায়াও হোটেল গুলির উপরে রয়েছে,,
x

0 মন্তব্যসমূহ